পবিত্র কুরআনের আলো

‘পবিত্র কুরআনের আলো; ক্ষুদে প্রতিভার সন্ধানে’ একটি আন্তর্জাতিক মানের ইসলামী রিয়্যালিটি-শো । এর উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশব্যাপী প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আল-কুরআনকে শক্ত ও সুচারুরূপে হিফয করেছেন এবং সুললিত, সুমধুর ও আকর্ষণীয় সুরে কুরআনুল কারীম তিলাওয়াত করতে পারেন এমন সব কিশোর হাফিযদের খুঁজে বের করে স্যাটেলাইট টেলিভিশনের মাধ্যমে জাতির সামনে উপস্থাপন করা । এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে ‘হিফয’ এর ওপর নির্মিত প্রথম, প্রধান ও প্রিমিয়ার ইসলামী রিয়্যালিটি-শো । গত ২০০৯ থেকে শুরু করে ২০১৫ পর্যন্ত আমরা নিজস্ব উদ্যোগ ও তত্বাবধানে ‘হিফযুল কুরআনের’ এ আসরটি সফলতার সাথে আয়োজন করে আসছি । প্রতিযোগিতাটি জন্মলগ্ন থেকেই জনপ্রিয় টেলিভিশন ‘বাংলাভিশন’ এ প্রচারিত হয়ে আসছে । ‘হিফযুল কুরআনের’ এ রিয়্যালিটি-শো টির সফল আয়োজনের পর সমগ্র বাংলাদেশে কুরআন চর্চা ও কুরআনের হাফিয বানানোর ক্ষেত্রে অভিভাবকদের মাঝে ব্যপক সাড়া পড়ে । এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পর অনেকেই বিদেশে অনুষ্ঠিত এ জাতীয় বহু প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় স্থান অর্জন সহ বহু কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন ।

এ প্রতিযোগিতার প্রধান লক্ষ্য হলো কুরআনে-হাফিযদেরকে সামাজিক জীবনে স্বনির্ভর ও সন্মানিত হয়ে বেঁচে থাকার পথ সুগম করা । সাধারণত দেখা যায় যে, কুরআনের হাফিযগন হিফয শেষ করার পর কোনো মসজিদ, মক্তব বা মাদরাসায় সামান্য সন্মানীতে চাকুরী করে অনেকটা পরজীবী অবস্থায় জীবন যাপন করতে হয় । ফলে এরা একদিকে থাকে নিগৃহীত এবং অন্যদিকে তাদের অভাবনীয় প্রতিভা দেশ-সমাজ-মানবতার ব্যাপক কল্যাণে কাজে আসেনা । হাফিযে-কুরআনদের এ অভাবনীয় প্রতিভার লালন-পালন ও পরবর্তী বিকাশ এবং ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞানে বুৎপত্তি অর্জনের পথ সুগম করার লক্ষেই আমাদের এই প্রয়াস । এ প্রতিযোগিতার ফলে কুরআনের সুললিত ও মনোমুগ্ধকর তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে সমাজে একটি অনুপম আবহ তৈরি হবে, অভিভাবকগণ তাদের সন্তানদের কুরআনিক শিক্ষা প্রদানে উৎসাহিত হবেন, শিশু-কিশোরদের মাঝে পবিত্র কুরআনের প্রতি আগ্রহ-ভালোবাসা তৈরি হবে, এবং দেশে বিশ্বমানের হাফিয/ক্বারী তৈরির একটি চমৎকার প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে ।

১ম রাউন্ড

সমগ্র বাংলাদেশকে ২২-২৫ টি বৃহত্তর জোনে বিভক্ত করে প্রাথমিক বাছাই সম্পন্ন করা হবে।

২য় রাউন্ড

সমগ্র বাংলাদেশ থেকে ২০০ জন প্রতিযোগীকে ঢাকায় ২য় রাউন্ডে অংশ নিতে হবে।

৩য় রাউন্ড

২০০ জন প্রতিযোগীর মধ্যে ২৫ জন ‘চূড়ান্ত’ প্রতিযোগিতার জন্যে নির্বাচিত হবে।

চূড়ান্ত পর্ব

চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় যথাক্রমে চ্যাম্পিয়ন, ১ম ও দ্বিতীয় রানার্স-আপসহ সেরা ১০ নির্বাচিত হবে ।